Uncategorized

বাকেরগঞ্জে কলসকাঠী ইউপি চেয়ারম্যানের বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাই!!!!

বরিশাল বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদারের গ্রামের বসত ঘরটি রাতের আঁধারে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এলাকা সূত্রে জানা যায় ২ মার্চ গভীর রাতে চেয়ারম্যানের বসত ঘরে আগুনের লেলিহান দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান সম্পূর্ণ বসত ঘরটি আগুনের কুন্ডলীতে পরিণত হয়ে যায়। এলাকার শত শত লোকজন আগুন নিভাতে আসলে, তারা তখন আগুনের কাছেই যেতে পারেনি। কারণ আগুন তখন এতটাই উত্তপ্ত ছিল, যে লোকজন অনেক দূরে দাঁড়িয়েে দেখা ছাড়া তাদের আর কোন উপায় ছিল না। কলসকাঠী ইউনিয়নে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢোকার মতো কোন রাস্তা না থাকায়, ফায়ার সার্ভিসের কোন সাহায্য নেয়া সম্ভব হয়নি। চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদার দুইদিন আগে থেকে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এ কারণে চেয়ারম্যান বাড়ি না থাকায় বসত ঘরটিতে কোন লোকজন ছিলেন না। বসত ঘরের বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ ছিল। এ ব্যাপারে রাব্বি তালুকদার ২৭ বলেন এর আগের দিন গভীর রাতে কিছু লোকজনের আলাপ পাওয়া গেছে। তখন আমি টচ লাইট নিয়ে বাহিরে বের হয়, পুকুরের পাড়ে ঘোরাঘুরি করি এবং পুকুরের মাছ ধরে নিতে চোর আসলো কিনা সেটা দেখাশোনা করে। রাব্বি তালুকদার আরো বলেন গভীর রাতে চেয়ারম্যানের বসত ঘরের পিছন থেকে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের বসতঘর পুড়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখার জন্য রাত থেকে হাজার হাজার জনগণ উপস্থিত হয়,অনেকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছেন। এবং তারা বলেন মরহুম হাশেম তালুকদার ও মরহুম আব্দুর রাজ্জাক মনু তালুকদারের ঐতিহ্য বসত ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, এ দৃশ্য তারা মেনে নিতে পারছেন না। এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পিছনে এলাকার কুচক্রী মহল ও প্রতিপক্ষের মাধ্যমে হতে পারে, এলাকার জনগণ মতামত প্রকাশ করেছেন। ঘরে থাকা মূল্যবান জিনিস ও আসবাবপত্র কোন কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। রাতেই বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মিলন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আরো দেখুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সম্পর্কিত খবর

আরো দেখুন
Close
Back to top button